তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, আব্দুর রব মোল্লা ওরফে হাসান প্রবাশে থাকাকালীন সময় তার ছোট ভাই আব্দুল লতিফ মোল্লা কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে সর্ব মোট ১৫ লক্ষ টাকা পাঠান। আব্দুর রব মোল্লা দেশে ফিরে ওই টাকা তার ভাইয়ের কাছে চাইলে টাকা বুঝিয়ে দিবে বলে তার ভাই তাকে ঘুরাইতে থাকে। এ বিষয়ে পারিবারিক ও স্থানীয় ভাবে বেশ কয়েকবার বিচার সালিশ করেও বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা বুঝে পাননি আব্দুর রব মোল্লা। তিনি আরো উল্লেখ করেন, আব্দুর রব মোল্লা বিদেশ থাকাকালে পিতা নিকট হইতে ছোট ভাই আব্দুল লতিফ মোল্লা পিতার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত অংশ বোনদের বুঝিয়ে দিয়ে বড় ভাই আউয়াল মোল্লা ও আব্দুর রব মোল্লা ওরফে হাসানদের ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করে বুঝিয়ে দেওয়ার নাম করে পিতার কাছ থেকে কৌশলে লিখে নেন।
মোল্লাকান্দি গ্রামের নুরু হোসেন বাউল জানান, এবিষয়ে একাধীক বার বিচার সালিশ করেছি। কিন্তু আব্দুল লতিফ মোল্লা কোন বিচার সালিশ মানে নাই। এখন যেহেতু আব্দুর রব মোল্লা থানায় অভিযোগ করেছে। আমরা এলাকাবাসী চাই সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক।
সিরাজদিখান থানার এস, আই মোঃ আশ্রাফুল আলম জানান, আব্দুর রব মোল্লা ওরফে হাসান তার ছোট ভাই আব্দুল লতিফ মোল্লাকে বিবাদী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিবাদী আব্দুল লতিফ মোল্লা ১৫ দিন আগেই বাড়ী থেকে চলে গেছে বলে জেনেছি।
এ বিষয়ে আব্দুল লতিফ মোল্লা বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। এলাকায় বিচাল সালিশ হইছে। কিন্তু আমার ভাইতো বিচারে বলেন নাই আমার কাছে ১৫ লক্ষ টাকা পায় এবং আমি তার ওয়ারিশ সম্পত্তি লিখে নিয়েছি। আমার ভাই আমার ওয়ারিশ সম্পত্তি আমাকে বুঝাইয়া না দিয়া আমাকে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে।